আদমদীঘিতে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক নারী আসামী গ্রেপ্তার

67
আদমদীঘিতে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক নারী আসামী গ্রেপ্তার

আহসান হাবীব মির্জা, আদমদীঘি 
মাদকসম্রাজ্ঞী আয়েশা খাতুন (৫৫)। প্রায় দুই যুগ আগে বিয়ে হয়েছিলো বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহার ইউনিয়নের দমদমা গ্রামের আটোচালক আমজাদ হোসেনের সাথে। বছর কয়েক পর তাদের সংসার ভেঙে যায়। এরপর বিয়ে হয় কোরবান নামের এক ব্যাক্তির সাথে। সেটিও টিকেনি। তারপর শাফিউল ইসলাম শাফি নামের এক হুজুরের সাথে বিয়ে হয়। তারা দিনাজপুরে হিলির মধ্যবাসুদেবপুর গ্রামে ভাড়া বাসায় বসবাস করেন।

আয়েশা খাতুনের পেশা মাদক ব্যবসা। তিনি দেশের বিভিন্ন এলাকায় কৌশলে মাদক সরবরাহ করেন। সে কারণেই পুলিশের কাছে তিনি মাদকসম্রাজ্ঞী হিসেবেই চিহ্নিত। তার নামে বেশ কয়েকটি মামলাও রয়েছে। আর এসব মামলায় তিনি স্বামীর জায়গায় প্রাক্তন স্বামী আমজাদ হোসেনের নাম ব্যবহার করেন বলে জানান পুলিশ। একারণে তারা আয়েশাকে ধরতে সর্বপ্রথম আমজাদের বাড়িই তল্লাশী চালান।

সর্বশেষ ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের হওয়া মাদক মামলায় আদালত তাকে এক বছরেরদন্ডাদেশ দিলে তিনি আত্মগোপনে যান। এরপর পুলিশ তাকে ধরতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে অবশেষে সোমবার রাতে তাকে দিনাজপুর জেলার হিলির মধ্যবাসুদেবপুর গ্রামে ভাড়া বাসা থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন। মঙ্গলবার দুপুরে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

আদমদীঘি থানার ওসি জালাল উদ্দীন জানান, মাদকসম্রাজ্ঞী আয়েশা খাতুন গ্রেপ্তার এড়াতে প্রাক্তন স্বামীর নাম ব্যবহার করতেন। একারনে একদিকে তার প্রাক্তন স্বামী যেমন বিভ্রান্তিতে পড়তেন তেমনি তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশও হয়রানির স্বীকার হতো।

print