ত্রানের নামে ডেমরায় চেতনানাশক খাইয়ে যুবতীকে গণধর্ষন

1745
ধর্ষন
ধর্ষন

কবির বাবুল

রাজধানীর ডেমরা থানার ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের ৬৮ নং ওয়ার্ডের সারুলিয়ায় এক যুবতীকে চেতনানাশক সেবনের পর রাতভর ধণধর্ষন করা হয়েছে। এ বিষয়ে ওই যুবতী ডেমরা থানায় অভিযোগ করেন। শুক্রবার (১৫ মে) সন্ধ্যায় জোসনা নামের এক যুবতীকে সারুলিয়া এলাকার ভাড়াটিয়া এনায়েত, সাকিবা ও কুমকুম ত্রান দেয়ার কথা বলে তাদের বাসায় নিয়ে যায়। কুমকুম এনায়েতের বন্ধু। জোসনা রূপগঞ্জ তারাব দক্ষিন পাড়ার স্থায়ী বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে রূপগঞ্জের দীঘি বরাব মোরগাকুল এলাকায় ভাড়া থাকেন।

জোসনা বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যায় এনায়েত ও কুমকুম তাকে তাদের বাসায় নিয়ে আসে। বাসায় নেয়ার পর তাকে এক গ্লাস দুধ খেতে দেন। দুধ খাওয়ার কিছুক্ষন পর তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। এরপর ভোর ৪ টায় তার জ্ঞান ফিরে আসে। জ্ঞান ফেরার পর তার নাক, চোখের চারপাশ ও গালে নখের আঁচড়ের রক্ত দেখতে পান। এছাড়াও তার যৌনাঙ্গে ক্ষত ও রক্তাক্ত অবস্থা উপলব্ধি করেন। বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয় এনায়েত ও জোসনা। ঘটনার পর শনিবার বিকেলে তিনি ডেমরা থানায় অভিযোগ করেন।

জানা গেছে, এনায়েত গত বছর সারুলিয়া ক্যানেলপাড় এলাকায় ভূয়া ডিবি সেজে এক দম্পতিকে গোপন কামরায় আটকে রেখে মুুক্তিপণ দাবী করেন। বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে ডেমরা থানা পুলিশ ওই দম্পতিকে উদ্ধার করে। এনায়েতকে আটকের পর মামলা দিয়ে জেল হাজতে পাঠানো হয়। দীর্ঘ ৮ মাস কারাবাসের পর এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে জামিনে মুক্তি পান।

আরও জানা গেছে, ১৫ দিন আগে ডেমরার রসুলবাগ এলাকায় এক ম্যাজিস্ট্রেটের উপর হামলা চালায় এনায়েত, কুমকুমসহ কয়েকজন। হামলার ঘটনায় কুমকুম ও অজ্ঞাত আসামী করে মামলা করেন ওই কর্মকর্তা। এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারে নি পুলিশ।

এ বিষয়ে জানতে ডেমরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমানের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি রিসিভ করেন নি। তবে ডিউটি অফিসার জানান বিষয়টি আমলে নিয়ে ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

print