দক্ষিন সিটিতে কাউন্সিলর প্রার্থী খোরশেদ আলম

1150

মোঃ আশিকুর রহমান

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের অবিসংবাদিত নেতা বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার নেতৃত্বে এদেশের মানুষ পেল স্বাধীন সোনার বাংলা। পৃথিবীর বুকে মুজিব সেনারা বেঁচে আছে থাকবে চিরকাল। জনগনের চোখের আড়ালেই অকল্পনিয় বিষ্ময়কর উন্নয়ন করে যাচ্ছেন জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ইং সালে ক্ষমতায় এসে বাংলাদেশকে আমুল পরিবর্তনের যাত্রা শুরু করেন। বাংলাদেশ আজ ঐতিহাসিক ভাবে উন্নয়নের বিস্ময় হয়েছে। বহিঃবিশ্বের নেতারা প্রশংসা করে বলেন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন এবং নারী পুরুষের সামাজিক সমতা অর্জনের জন্য বিশ্বের বুকে অনুকরনীয়। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই উন্নয়ন তার নিবেদিত প্রাণ কর্মী মাঠ পর্যায়ের নেতারা উন্নয়নের সমর্থনে নিরলস ভাবে কাজ করে গিয়াছেন। আমরা সবাই দেশের জন্য কাজ করি এই মনোভাব নিয়ে দীর্ঘ এক যুগের ও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সংগঠনে সকলের মন জয় করে নিয়েছেন। তিনি মোঃ খোরশেদ আলম (বাবু মাষ্টার) । সাধারন সম্পাদক, ৮নং ওয়ার্ড শ্যামপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ। যিনি বর্তমানে রাজধানী ঢাকা দক্ষিনের কদমতলী থানার ৫৯নং ওয়ার্ডের একজন জনসেবক হিসাবে আধুনিক নগরীর অত্যাধুনিক ওয়ার্ড গড়ে তুলতে আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে কমিশনার পদপ্রার্থী ঢাকা দক্ষিনের কদমতলী থানার সাধারণ জনগন ও সর্বশ্রেণীর মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায় মোঃ খোরশেদ আলম (বাবু মাষ্টার) তিনি তার কর্মগুনে সকলের মন জয় করে নিয়েছে এবং জনগনের অভিভাবক হিসাবে খ্যাতি লাভ করেছেন। তার সম্পর্কে জানতে চাইলে স্থানীয় রাজনীতিবিদগণ বলেন, মোঃ খোরশেদ আলম (বাবু মাষ্টার) একজন সৎ, একনিষ্ঠ, ত্যাগী, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আদর্শিত ও জননেত্রী শেখ হাসিনার পরিক্ষিত সক্রিয় রাজনীতি কর্মী, যিনি নিজ উদ্দ্যোগে বিভিন্ন ধরনের মানবিক, সামাজিক, সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন এবং শেখ হাসিনার বৈপ্লবিক উন্নয়নের প্রচার প্রচারনা ব্যাপকভাবে চালিয়ে যাচ্ছেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নের যে মশাল জ্বালিয়েছেন তার সাথে একাত্বতা প্রকাশ করে। তিনি তার ৫৯নং ওয়ার্ডে প্রশংনীয় উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করছেন। তিনি শেখ হাসিনার উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরতে গিয়ে বলেন জননেত্রী শেখ হাসিনা খুব অল্প সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের তৃণমূল পর্যায় থেকে সর্বত্রই উন্নয়ন ঘটিয়েছেন। উল্লেখ যোগ্য বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপন, গরীব শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান, জঙ্গী ও সন্ত্রাস দমনের সফলতা, সিট মহল সমস্যার সমাধান, অনলাইন সেবা প্রদান, আধুনিক বিশ্বে বাংলাদেশ আজ আধুনিকতার প্রায় চূড়ায় পৌছেছে। শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে ও উৎসাহিত করতে প্রতি বছর তিন কোটি বই শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনা মূল্যে বিতরণ করেন। সামাজিক উন্নয়ন আজ ব্যাপক প্রশংসনীয়। শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রদান সহ বৃদ্ধি করে চলেছেন। গ্রাম অঞ্চলের কৃষকদের উন্নয়নের জন্য বিনা মূল্যে সার বিতরণ ও বয়স্ক ভাতা প্রদান। নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা আজ উন্নয়নের উজ্জল নিদর্শন। মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বৃদ্ধি ও প্রতিবন্ধিদের ভাতা প্রদান দ্বিগুন বৃদ্ধি করেন। উন্নয়ন আজ মহাসড়কে, দূর্ণীতি প্রতিরোধ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন অটিজম শিশুদের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মান সহ সবোর্চ্চ সুযোগ সুবিধা প্রদান। মোঃ খোরশেদ আলম (বাবু মাষ্টার) আরও বলেন, শেখ হাসিনার উন্নয়নের যে মিশন সেই মিশনে আওয়ামী লীগ আজ ১৬ কোটি মানুষের জীবন যাত্রার মান পরিবর্তন করে দিয়েছেন। দেশের জনগন নেত্রীর প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস রেখেছিল বলে আজ উন্নয়নশীল বিশ্বে রোল মডেল হয়েছে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য ষড়যন্ত্র, হামলা, মামলা মোকাবেলা করেই ক্ষমতায় আসতে হয়েছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে দেশের মান আতœ মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয়। মোঃ খোরশেদ আলম (বাবু মাষ্টার) যিনি হামলা, মামলা বহু ত্যাগ তিতিক্ষা পাড়ি দিয়ে সরকারের উন্নয়নের পথের পথিক হয়ে জনগনের সেবা করতে চান। জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শ সৈনিক হওয়ার কারণে রাজনৈতিক কারাবরন করেন। যিনি সংসংগঠিত রাজনৈতিক কর্মী। শত বাধা পেরিয়ে তিনি আজ জনগনের মাঝে আছেন। কদমতলী থানা মানুষের কাছে দেশ মাটি ও মানুষের নেতা। কেননা তিনি গরীব দুঃখীদের জন্য বিশ্বস্ত আশ্রয়স্থল। সে অপরের কল্যাণে নিজেকে সদা সর্বদা নিয়োজিত রেখেছেন। যিনি চান উন্নয়নের মধ্যদিয়ে একটি আধুনিক মডেল ওয়ার্ড হিসাবে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দিতে। তিনি চান দল মত নির্বিশেষে মানুষের কল্যানে ৫৯নং ওয়ার্ডকে গড়ে তুলতে।

print