দশমিনায় ক্ষতি পুষিয়ে নিতে কৃষকরা আলু চাষে ঝুঁকছে

52
দশমিনায় ক্ষতি পুষিয়ে নিতে কৃষকরা আলু চাষে ঝুঁকছে

নাসির আহমেদ, দশমিনা (পটুয়াখালী)
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার কৃষকরা আলুর বীজ রোপনে এবং চাষ করার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। উপজেলার চরাঞ্চলসহ ৭টি ইউনিয়নের ফসলি জমিতে বাড়তি লাভের আশায় ক্ষতি পুষিয়ে নিতে কৃষকরা আলুর চাষের দিকে ঝুঁকে পড়ছে।
উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের মধ্যে চরাঞ্চলের কৃষকরাই সব চাইতে বেশী আলু চাষাবাদ করছে। উপজেলার কৃষকরা বিএডিসি ও স্থানীয় বাজার থেকে আলুর বীজ ক্রয় করে রোপনের জন্য সারাক্ষন ব্যস্ত থাকছে। উপজেলার সর্বত্র এলাকায় আলু বীজ রোপনের জন্য অনুকুল পরিবেশ থাকায় কৃষকরা বেশ খুশি। ভাল ফলনের আশায় কৃষকদের মুখে হঠাৎ করেই হাসি ফুটে উঠেছে। উপজেলার চরাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকার ফসলি জমির যে দিকে চোখ যায় শুধু আলু ক্ষেত চোখে পড়ে। কৃষকরা আশা করছে অনুকুল পরিবেশ থাকলে আলুর বাম্পার ফলন হবে। ফলে বিগত বছরের ক্ষতি কিছুটা হলেও পুশিয়ে নেয়া সম্ভব হবে।
উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়নের কৃষক আবু জাফর ও চরশাহজালালের আবদুর রহমান জানান, অত্র এলাকা আলু চাষের জন্য উপযোগী। এলাকার উভয় দিকেই নদী থাকায় বর্ষাকালে পলিমাটি এবং শুস্ক মৌসুমে সেচ সুবিধা পাওয়ায় আলুর ফলন ভাল হওয়ার সম্ভাবনা বেশী থাকে। আলুতে লাভ বেশী হওয়ায় চলতি বছরে চাষের জমির পরিমান বৃদ্ধি পেয়েছে। এদিকে কৃষকরা জানায়, নারী শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করানো যায় এবং কম পরিশ্রমেই তাদের কাছ থেকে অধিক শ্রম পাওয়া যায়। ফলে আলু চাষে পুরুষ শ্রমিকদের চেয়ে নারী শ্রমিকদের দিয়েই কৃষকরা বেশী আগ্রহ দেখায়। উপজেলার আলু চাষীরা নারী ও পুরুষ শ্রমিকদের কাজ করানোর কারনে তাদের সংসারে ফিরে আশে সুখের সু বাতাস। নারী শ্রমিকরা জানায়,পারিবারিক কাজের পাশাপাশি আলুর বীজ রোপন করে বাড়তি টাকা আয় করা যায়। ফলে আলু বীজ রোপনের টাকায় তাদের সংসারের চাকা ঘোরে।

print