দশমিনায় গ্রামীন সড়কের বেহাল দশা বাঁশের সাঁকোতে ভোগান্তি

43
দশমিনায় গ্রামীন সড়কের বেহাল দশা বাঁশের সাঁকোতে ভোগান্তি

নাসির আহমেদ, দশমিনা (পটুয়াখালী) 
পটুয়াখালীর দশমিনা হবার উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের চরঘূর্নী-পাতারচর সংযোগ সড়কের একটি অংশ নদী গর্ভে বিলীন পথে রয়েছে। রনগোপালদী বাজার থেকে এই সড়ক দিয়ে উপজেলার একমাত্র নদী বেষ্টিত চরবোরহান ইউনিয়নসহ চরঘূর্নী ও পাতারচর এলাকায় যাতায়াত করা যায়। এদিকে উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের ১ ও ২ নং ওয়ার্ডের সীমান্তবর্তী গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া সূতাবাড়িয়া নদীর সংলগ্ন খালে বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। সাঁকোটির দুই পাশে কোন সংযোগ সড়ক না থাকায় সকলকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
জানা যায়,রনগোপালদী ইউনিয়নের শত শত বাসিন্দারা এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করে থাকে। সড়কটি রনগোপালদী বাজার থেকে স্লুইজগেট হয়ে নদী তীরবর্তী কূল হয়ে পাতারচর নদী তীরে গিয়ে সংযুক্ত হয়। প্রায় ১ কিলোমিটার পাঁকা সড়কটি ২০১৭-২০১৮ সালে এলজিইডি নির্মান করে। বিগত ২ বছর আগে ঘূর্নীঝড় আ¤ফান এবং স্লুইজগেট দিয়ে নেমে যাওয়া পানির চাপে সড়কটি ভেঙ্গে যাচ্ছে। এই সড়ক দিয়ে উলানিয়া, আউলিয়াপুর, রনগোপালদী বাজার,আরজবেগীসহ উপজেলা সদর দশমিনায় যেতে হয়। এই সড়কটি দিয়ে ২টি ইউনিয়নের বাসিন্দাসহ শিক্ষার্থীরা উপজেলা সদরে যাতায়াত করে থাকে।
এই বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এটিএম আসাদুল হক নাসির সিকদার জানান, এই সড়কটি উপজেলা সদর সহ বিভিন্ন এলাকায় চলাচলের জন্য একমাত্র পথ। এই সড়ক দিয়ে শত শত জনগন চলাচল করলেও এবং চরম ভোগান্তিতে থাকলেও কেউ কোন উদ্যোগ নিচ্ছে না। এই ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ মকবুল হোসেন বলেন, সড়কটি ভাঙ্গনের ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না তবে পরিদর্শন শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

print