দশমিনায় বর্ষন ও জোয়ারের পানিতে স্থবির জনজীবন নদীর ভাঙন আতংক

48
দশমিনায় বর্ষন ও জোয়ারের পানিতে স্থবির জনজীবন নদীর ভাঙন আতংক

নাসির আহমেদ, দশমিনা (পটুয়াখালী)
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় নিম্নচাপের কারনে অবিরাম বর্ষন ও জোয়ারের পানিতে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের নিচু এলাকা প্লাবিত হয় পড়েছে। অবিরাম বর্ষন এবং জোয়ারের পানিতে প্রায় অর্ধ শতাধিক চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। কোন চরেই স্থায়ী বেড়িবাঁধ না থাকার কারনে জোয়ারের পানি অনায়াসে ঢুকে পড়ার ফলে চরাঞ্চলের নিচু এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এদিকে বর্ষন ও জোয়ারের পানির চাপে উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় নদীর তীব্র ভাঙনে জনমনে আতংক দেখা দিয়েছে।
অবিরাম বর্ষন এবং একই সাথে সাগরে নিম্নচাপের কারনে জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ থেকে ৪ ফুট বেড়ে যাবার কারনে জোয়ারের পানিতে সমগ্র নিচু এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়েছে। ফলে শতাধিক পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে।
অপর দিকে উপজেলার প্রমত্তা তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরাঙ্গ নদী উত্তাল থাকায় চরাঞ্চল থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে আনা সম্ভব হচ্ছে না। উন্নত নৌযান না থাকায় ছোট ছোট ট্রলার নিয়ে নদী পাড়ি দিতে কেউ সাহস পায় না বলে পানিবন্দি পরিবার গুলোর কাছে কোন ত্রান সামগ্রী পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। আবহাওয়া অনুকূলে না থাকা এবং থেমে থেমে ভারী বর্ষনের ফলে নদীর পানিতে জোয়ারের চাপ বেড়ে যাবার ফলে চরাঞ্চল থেকে কোন বাসিন্দারাই উপজেলা সদরে আসতে পারছে না। ফলে পরিবারের ছোট বড় সকলেই অবর্ননীয় সীমাহীন দূর্ভোগের মধ্যে দিনযাপন করছে।
উপজেলার উপকূলবর্তী ৪টি ইউনিয়নের গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। জোয়ারে নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। উপজেলার প্রধান ২টি নদী তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরাঙ্গ নদীর পানি বৃদ্ধির পাশাপাশি পানির তীব্র চাপে উপকূলবর্তী গ্রামের তীরবর্তী এলাকায় নদীর ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। অপর দিকে পানির তীব্র চাপে নদীর তীররক্ষা বাঁধ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

print