দশমিনায় বিএনপি ও পুলিশ সংঘর্ষে আহত-১৯, গ্রেফতার-১

33
পটুয়াখালী

দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় শহীদ বেদীতে ফুল দিতে গিয়ে বিএনপি’র দলীয় শ্লোগানে পুলিশের বাঁধা দেয়ার এক পর্যায়ে বাকবিতন্ডা ও সংঘর্ষে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যানসহ ১৫বিএনপি নেতা ও ৪ পুলিশ সদস্য আহত হয়। থানা পুলিশের দাবী রাত দেড়টায় নাশকতার চেষ্টাকালে ককটেলসহ হাতেনাতে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ফখরুজ্জামান বাদলকে আটক করা হয়।
জানা যায়, প্রতি বছরের ন্যায় দশমিনা উপজেলা বিএনপির ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা দলীয় শ্লোগান দিয়ে শহীদ বেদীতে ফুল দিতে শনিবার দিবাগত রাত পৌনে ১২টায় দশমিনা মডেল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে প্রবেশ করে। শহীদ মিনারের কাছাকাছি পৌঁছলে পুলিশ দলীয় শ্লোগান দিতে নিষেধ করেন। এই সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশের সাথে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন। উত্তেজিত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে পুলিশ লাঠিচার্জ করে ও বিএনপির নেতাকর্মীরা দৌড়ে মাঠ থেকে বেড়িয়ে যায়।
উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আলীম তালুকদার জানায়, পুলিশি লাঠিপেটায় উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ ফখরুজ্জামান বাদল এবং সিকদার এজাজুল ইসলাম এজাজসহ ১৫ জন আহত হয়। আহত বিএনপি নেতা বাদল ও এজাজকে রাত ১২:১০টায় দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে ও অন্যান্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নেয়। ভর্তির ১০ মিনিট পরে দু’নেতাই বাসার উদ্দেশ্যে হাসপাতাল ত্যাগ করেন।
থানা সূত্রে জানায়, শহীদ মিনারে ফুল না দিয়ে মাঠ ছাড়া বিএনপি’র নেতাকর্মীরা রাত দেড়টায় উপজেলার নলখোলা বন্দরে চেয়ারম্যান ট্রভেলস’র সামনে নাশকতার চেষ্টা চালিয়েছে। এই সময় একটি ককটেল বিষ্ফোরণ ঘটলে পুলিশ ধাওয়া করে বিএনপি নেতা ফখরুজ্জামান বাদলকে হাতেনাতে আটক করে। বাদলের সাথে দু’টি ও রাস্তায় পরিত্যক্ত ১টি তাজা ককটেল উদ্ধার করে পুলিশ। ককটেল বিষ্ফোরণ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের আঘাতে এই সময় ৪ পুলিশ সদস্য আহত হয়। আহতরা হলেন, এসআই তৌসিফ ইসলাম, আব্দুর রহিম, কনস্টেবল মোঃ সুমন ও মোঃ জসিম।
থানার ওসি মোঃ জসীম বলেন, নলখোলা বন্দরে বিএনপির নেতাকর্মী জড়ো হয়ে একটি ককটেল বিস্ফোরন ঘটায়। একটি অবিস্ফরিত ককটেল উদ্ধার করা হয়। আটককৃত ভাইস চেয়ারম্যানের পকেট থেকে একটি ককটেল উদ্ধার করা হয়।

print