পাকিস্তান গোয়েন্দা রিপোর্টে বাংলায় একমাত্র নেতা শেখ মুজিব-ফারুক খান এমপি

4673
পাকিস্তান গোয়েন্দা রিপোর্টে বাংলায় একমাত্র নেতা শেখ মুজিব-ফারুক খান এমপি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

আর্মি গলফ্ ক্লাব মিলনায়তনে ডিফেন্স এক্স-সোলজারস্ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন (ডেসওয়া) ট্রাস্টের আয়োজনে মুজিব শতবর্ষ ও স্বাধীনতার রজতজয়ন্তী উপলক্ষে আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক বানিজ্য মন্ত্রী ফারুক খান এমপি বলেন, বিএনপি প্রতিটি বিষয়ে মিথ্যাচার করছে। তারা রাজপথে ১০ জন মানুষকে একত্রিত করতে পারছে না। ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত সময় মূল্যায়ন করে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টে বলা আছে বাংলায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান একমাত্র নেতা ছিলেন। সেখানে অন্য কারো নাম নেই। সেই গোয়েন্দা প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশনেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২ খন্ডের বই প্রকাশের জন্য কাজ চলছে। গত বছর প্রেসক্লাবে আপনাদের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করেছি। আপনারা আমার কাছে আপনাদের বেশ কিছু দাবী দাওয়া তুলে ধরেছিলেন। সেই বিষয়গুলো নিয়ে আমি প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলাপ আলোচনা করেছি। তিনি আমাকে আশ^াস দিয়েছেন আপনাদের যৌক্তিক দাবীগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। তবে যে কোন কাজের জন্য সময় দিতে হয়। আপনাদের সংগঠনটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আপনারা সৈনিকরা দেশপ্রেম নিয়ে জীবনের বেশি অংশ দেশের জন্য কাজ করেছেন। বর্তমানে দেশের উন্নয়নের জন্য আপনাদের কাজ করতে হবে।

 

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে ডেসওয়া ট্রাস্টের চেয়ারম্যান অনারারি ক্যাপ্টেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আফাজুল হক (অবঃ) ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিসার মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, এ অনুষ্ঠানে আপনারা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে এসেছেন এজন্য আপনাদের ধন্যবাদ জানাই। আমাদের সংগঠনে বর্তমানে ১০ হাজার ২শত ৫৮ জন অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক সদস্য রয়েছে। এছাড়াও আরো ৩০ হাজার অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক সদস্য পদ পাবার অপেক্ষায় আছেন। আমরা দেশ ও জাতির কল্যানে কাজ করতে সর্বদা বদ্ধপরিকর। আমাদের শ্লোগান ‘We are retired but not tired’। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের দাবী- পাকিস্তান সরকারের আমলে ৩০ হাজার সৈনিককে যুদ্ধবন্দি হিসেবে আটক করা হয়। তাদের বাংলাদেশ সরকারের বাহিনীতে পদায়ন করা হলেও সেই সময়ের বেতন ভাতাসহ অন্যান্য সুবিধাদি আজ পর্যন্ত প্রদান করা হয় নি। এছাড়াও যুদ্ধবন্দি মতিউর রহমান পাকিস্তান থেকে পালিয়ে আসার সময় নিহত হলে তাকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি দেয়া হয়। অথচ তার সাথের ৩০ হাজার সৈনিককে মুক্তিযোদ্ধার মার্যাদাও দেয়া হয় নি। অবসরপ্রাপ্ত সৈনিকদের অবসরকালিন ভাতাসহ বেশ কয়েকটি দাবী তারা তুলে ধরেন।

 

শনিবার (২৯ ফেব্রুয়ারী) সকাল ১০ টায় ঢাকা সেনানিবাসের আর্মি গলফ্ ক্লাব মিলনায়তনে মুজিব জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার রজতজয়ন্তী উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ফারুক খান এমপি, বিশেষ অতিথি মেজর আতমা হালিম (অবঃ), সভাপতিত্ব করেন ডেসওয়া ট্রাস্টের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আফাজুল হক (অবঃ) ও সার্বিক পরিচালনা করেন ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিসার মো. সফিকুল ইসলাম (অবঃ)।

print