পাটশিল্প ধ্বংসের নেপথ্যে সক্রিয় সওগাতুল সিন্ডিকেট!

52
পাটশিল্প ধ্বংসের নেপথ্যে সক্রিয় সওগাতুল সিন্ডিকেট!

সূত্র: ভোরের পাতা

দেশের পাটশিল্পকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিয়েছিল বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার। বলা হয়ে থাকে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে তারা এ শিল্পকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল। ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসার এক বছর পরেই এশিয়ার ড্যান্ডি বলে খ্যাত আদমজী পাটকল বন্ধ করে দেওয়া হয়। ১৯৯১ সালে বিএনপি শাসনামল থেকেই দেশে পাট খাতের শ্রমিক অসন্তোষ শুরু হয়। তৎকালীন সরকারের একরোখা নীতি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে পাটকল শ্রমিকরা আন্দোলনে নামলে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ওপর গুলি চালাতেও দ্বিধা করেনি। গুলিতে ১৭ জন শ্রমিক নিহত হয়েছিল সে সময়। আওয়ামী লীগ তখন পাট শ্রমিকদের সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলন গড়ে তুলে পাটের ন্যায্যমূল্য দাবি করে।

 

পরবর্তীতে ২০০২ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রে পা দিয়ে ঐতিহ্যবাহী পাট শিল্পকে বন্ধ করে লাখ লাখ মানুষকে পথে বসিয়ে দেয়।

দেশের সোনালি আঁশ খ্যাত পাটখাতকে ধ্বংসের পিছনে যারা কাজ করছেন তাদেরই একজন পাট অধিদফতরের সমন্বয় কর্মকর্তা-১ মো. সওগাতুল আলম। তিনি সিন্ডিকেট করে মরে মরে বেঁচে থাকা পাট শিল্পকে একেবারে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার খেলায় মত্ত আছেন বলে অভিযোগ করেছে অধিদফতরেরই বিভিন্ন সূত্র।

জানা গেছে, এই সিন্ডিকেটের ম্যাজিকেল কর্মকাণ্ডে দেশের পাটশিল্প আজ ধ্বংসের মুখে পড়েছে। রাষ্ট্রযন্ত্রের দায়িত্বশীল কর্তাব্যক্তিরা তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন না করে নিজের স্বার্থ হাসিলে জড়িয়ে পড়ায়, শিল্পটি দিনে দিনে মুখ থুবড়ে পড়ছে। এসব কর্তা ব্যক্তি দায়িত্বে থেকে পাটজাত পণ্যের ব্যবহার নিশ্চিতকরণে যুগোপযোগী পরিবেশ তৈরি না করায় পাটজাত পণ্য বাজার থেকে উঠে যেতে বসেছে। তার স্থান দখল করছে পরিবেশ দূষণকারী প্লাস্টিক জাতীয় পণ্য। যার ফলে গোটা দেশের পরিবেশ আজ বিপন্ন হতে বসেছে।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এই অবস্থা তৈরির পিছনে মো. সওগাতুল আলম সিন্ডিকেটের অনৈতিক কর্মকা- বড় ধরনের ভূমিকা রাখছে। পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বিরোধিতাকারী একশ্রেণির ব্যবসায়ীর কাছ থেকে এই সিন্ডিকেট আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করে বাধ্যতামূলকভাবে পাটজাত পণ্যের ব্যবহার নিশ্চিতকরণের কার্যক্রমগুলোকে অন্ধকারে ফাইলবন্দি করে রাখছে। অন্যদিকে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগে পাট অধিদফতরের চলমান ৪২টি মামলার মধ্যে ৩৮টি মামলাতেই পাট অধিদফতরের পক্ষে কোনো আইনজীবী নেই। পাট অধিদফতরের যেসব কর্মকর্তা এসব মামলা পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন তাদের মধ্যে সমন্বয় কর্মকর্তা-১ মো. সওগাতুল আলম অন্যতম। এই কর্মকর্তা সঠিক সময়ে নিজের দায়িত্ব পালন না করায় বছরের পর বছর মামলাগুলো আদালতে ঝুলে থাকছে আর এ সুযোগে পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বিরোধিতাকারী ব্যবসায়ীরা নিজেদের স্বার্থ হাসিলের অবাধ সুযোগ পাচ্ছে। ফলে পাটজাত পণ্যের ব্যবহার কমে আসায় ক্রমান্বয়ে ধ্বংস হচ্ছে পাটশিল্প। সম্প্রতি সওগাতুল আলম সিন্ডিকেটের মধ্যে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে অর্জিত অর্থের ভাগ-বণ্টন নিয়ে বনিবনা না হওয়ায় একপক্ষ চমকপ্রদ তথ্য ফাঁস করেছে।

ওই সূত্র জানাচ্ছে, পাট অধিদফতরের মো. সওগাতুল আলমের বিরুদ্ধে পাটবিরোধী নানা ষড়যন্ত্র ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ফিরিস্তি দিয়ে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অধিদফতরের মহাপরিচালক বরাবর অভিযোগ দায়ের করেছেন তারই সিন্ডিকেটের সদস্য সহকারী পরিচালক জাহিদুল ইসলামসহ কয়েকজন কর্মকর্তা। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, পণ্যের সরবরাহ ও বিতরণে কৃত্রিম মোড়কের ব্যবহারজনিত কারণে সৃষ্ট পরিবেশদূষণ রোধকল্পে বাধ্যতামূলকভাবে পাটজাত মোড়ক ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং এ সংক্রান্ত বিষয়ে বিধান প্রণয়নকল্পে ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০’ এবং ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার বিধিমালা-২০১৩’ প্রণয়ন করা হয়। ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০’ অনুযায়ী ১৯টি পণ্যে পাটজাত মোড়ক ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে ১৯টি পণ্যের মধ্যে ১২টি পণ্যের বিরুদ্ধেই বিভিন্ন মামলা রয়েছে। শুধু চাল, ডাল ছাড়া অন্যান্য পণ্যে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। সব পণ্যে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা গেলে রাজস্ব আয় বাড়ার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ বাজারে পাটের বস্তার চাহিদা বৃদ্ধি পেত। ১৯টি পণ্যে মোড়কীকরণ কার্যকর করা গেলে প্রতিবছর প্রায় ২শ’ থেকে ৩শ’ কোটি পাটের বস্তার চাহিদা সৃষ্টি হবে। এতে পাটচাষিরা যেমন লাভবান হতো তেমনি দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হতো। কিন্তু ১২টি পণ্যে নিষেধাজ্ঞা থাকায় অভ্যন্তরীণ চাহিদা সৃষ্টি হচ্ছে না এবং ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০’ যথাযথ বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না। পাট অধিদফতরের সমাপ্ত প্রকল্প থেকে অস্থায়ী রাজস্বখাতে স্থানান্তরিত ২য় শ্রেণির সমন্বয় কর্মকর্তা-১ মো. সওগাতুল আলমের রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডের কারণে পাট অধিদফতরের উক্ত আইন বাস্তবায়নে প্রধান প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।

সূত্র জানায়, মো. সওগাতুল আলম পাট অধিদফতরের মামলা সংক্রান্ত বিষয়াদির দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। তাই মামলা বিষয়ক সব কর্মকাণ্ড, মামলার সার্বিক অবস্থা, হালনাগাদ তথ্যাদি ঊর্ধ্বতন ও অধিদফতরের নিকট জানানোর দায়িত্ব তার ওপর ন্যস্ত। কিন্তু সম্প্রতি পাট অধিদফতরের মামলা পরিচালনার জন্য বিজ্ঞ প্যানেল আইনজীবী নিয়োগ করা হয়। পাট অধিদফতরের চলমান ৪২টি মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করে আইনজীবী নিয়োগের এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগে খোঁজ নিলে বিজ্ঞ প্যানেলের একজন আইনজীবী জানান, ৪২টি মামলার মধ্যে ৩৮টি মামলাতেই পাট অধিদফতরের পক্ষে কোনো আইনজীবী নেই। বিভিন্ন মামলায় যথাসময়ে পাট অধিদফতরের পক্ষ থেকে দফাওয়ারি জবাবও প্রদান করা হয়নি। অথচ পাট অধিদফতরের কাছে মামলা সম্পর্কিত এসব তথ্য গোপন করে সম্পূর্ণ সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী কাজ করেন সওগাতুল আলম। ফলাফলস্বরূপ অনেক রায় পাট অধিদফতরের বিরুদ্ধে গেছে। কিন্তু সেই মামলার সংশ্লিষ্ট প্রমাণাদি, কাগজপত্র সঠিক সময়ে সঠিকভাবে এ্যাটর্নি জেনারেল/ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল মহোদয়কে প্রদান করা হলে রায় অধিদফতরের পক্ষে আসত এবং মামলার জট ও জটিলতাও কমে যেত।

 

সর্বশেষ মহামান্য হাইকোর্টের রিট পিটিশন নাম্বার-৭৪৪৪/২০১৭ এর দফাওয়ারি জবাব সময়মতো না দিয়ে এবং ২৬ নভেম্বর-২০২০ তারিখে উক্ত মামলার চূড়ান্ত রায়ের তারিখ পাট অধিদফতরকে যথাসময়ে অবহিত না করে সওগাতুল আলম রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী কাজ করেছেন। যা সরকারি কর্মচারী শৃংখলা ও আপিল বিধিমালার পরিপন্থী এবং দ-নীয় অপরাধ বলে জানান আইনজীবী।

প্রকৃত অর্থে সওগাতুল আলম পাট অধিদফতরের প্রতিনিধি না হয়ে স্টক হোল্ডারদের এজেন্ট হিসেবে কাজ করে চলেছেন। পাট অধিদফতরের ২১ জুন-২০১৮ তারিখের স্মারক নং ২৪.০১.০০০০,৫৪.৭১,১১,অংশ-২).১৬-৮৭৬ এর মাধ্যমে বাংলাদেশ লেমিনেটিং জুট ব্যাগস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএলজেএমএ) এর সনদ আংশিকভাবে গ্রহণপূর্বক পাট অধিদফতরের লেমিনেটিং জুট ব্যাগস ম্যানুফ্যাকচারার্সের লাইসেন্স ইস্যু/নবায়ন করার বিষয়ে একটি পত্র জারি হয়। যা সম্পূর্ণ বিধি-বহির্ভূত।

পাট অধিদফতরের লাইসেন্স প্রদানকারী কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীর কাছে চিঠি গোপন করে অবৈধভাবে লেমিনেটিং জুট ব্যাগস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন ‘বিএলজেএমএ’কে সুবিধা দিয়ে চক্রটি আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে।

 

সূত্র জানায়, সওগাতুল আলম ও তার সিন্ডিকেট অধিদফতরের মামলা পরিচালনার সুবিধা নিয়ে বিভিন্ন স্টক হোল্ডারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন এবং মামলা পরিচালনার ক্ষেত্রে নিষ্ক্রিয় থেকে অথবা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০ ও বিধিমালা-২০১৩ এর তফসিলভুক্ত অনেক পণ্যে স্থগিতাদেশ প্রদানে স্টক হোল্ডারদের সুবিধা দিয়ে কামিয়ে নিচ্ছেন কোটি টাকা।

এতে মাঠ পর্যায়ে পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০ ও বিধিমালা-২০১৩ এর তফসিলভুক্ত ১৯টি পণ্যে পাটজাত মোড়কের ব্যবহার আইন বাস্তবায়নে পাট অধিদফতরের মাঠ পর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নানা প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। এ ছাড়াও মো. সওগাতুল আলম পাট অধিদফতরে যাতে বিজ্ঞ প্যানেল আইনজীবী নিয়োগ না হতে পারে সেজন্য নানা চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন বলেও জানিয়েছে সূত্র।

 

অন্য অনেক সূত্র থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে, তিনি প্লাস্টিক সমিতি, চাল-ডাল, আটা-ময়দা, তুষ-খুদ-কুঁড়া, পোল্ট্রি ফিড, ফিশ ফিডসহ বিভিন্ন স্টক হোল্ডারের কাছ থেকে নিয়মিত মাসোহারা গ্রহণ করেন। ফলে তার নিয়ন্ত্রিত সিন্ডিকেটের সবাই কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন।

 

সূত্র আরও জানায়, সওগাতুল আলম রিয়েল এস্টেট ব্যবসা করেন এবং ঢাকায় তার অন্তত ১৫টি ফ্ল্যাট, গাড়ি ও বিভিন্ন নামে-বেনামে অঢেল সম্পত্তি রয়েছে। তার এই বিপুল সম্পদের উৎস খুঁজতে ইতিপূর্বে দুদকে অভিযোগ করা হয়। যার তদন্ত প্রক্রিয়াধীন।

সওগাতুল আলমের অফিসের সূত্র জানাচ্ছে, তিনি অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আদেশ নির্দেশ অমান্য করে চলেন। দফতরের বিভিন্ন নথি উপস্থাপনে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে পাশ কাটিয়ে নথি নিষ্পত্তি করেন। এবং ভুল ও মনগড়া তথ্য সংবলিত তথ্য বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করেন, যা সচিবালয় নির্দেশমালা-২০১৪ এর পরিপন্থী। এ ছাড়া তিনি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে পাট অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা তথ্য দিয়েও প্রভাবিত করেন।

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০ এর তফসিলভুক্ত ১৯টি পণ্যে পাটজাত মোড়কের ব্যবহার আইন বাস্তবায়নে যে নির্দেশনা দিয়েছেন তা এই কর্মকর্তা ও তার সিন্ডিকেটের কারণে বাস্তবায়িত হচ্ছে না বলে জানান অধিদফতরের কর্মকর্তারাই। তারা জানিয়েছেন, সমন্বয় কর্মকর্তা-১ মো. সওগাতুল আলম ও অভিযোগকারী সহকারী পরিচালক জাহিদুল ইসলাম একই সিন্ডিকেটের সদস্য। এরা সবাই মিলেমিশে সুকৌশলে অপকর্ম চালিয়ে নিজেরা আর্থিকভাবে লাভবান হন। আর যখন টাকা-পয়সার ভাগাভাগিতে অমিল ঘটে, তখন একজন আরেকজনের অপকর্মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হয়ে ওঠেন।

 

এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মো. সওগাতুল আলম ভোরের পাতাকে বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমি কোনো কথা বলব না। কোনোকিছু জানতে চাইলে আমাদের মহাপরিচালকের নিকট গিয়ে প্রশ্ন করেন।’

 

এ বিষয়ে পাট অধিদফতরের মহাপরিচালক হোসেন আলী খন্দকার এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘আমি গত কয়েক মাস হলো এই দফতরে জয়েন করেছি। সওগাতুল আলমের নামে একটি অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের বিভাগীয় তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাচ্ছে না। তিনি যদি অপরাধী হন তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

 

এ বিষয়ে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী মুঠোফোনে ভোরের পাতাকে বলেন, ‘সওগাতুল আলমের বিষয়টি যেহেতু অধিদফতরে তদন্ত চলছে চলুক। আপনি (প্রতিবেদক) বিষয়টি জানালেন আমি বিষয়টি নিয়ে তার (মহাপরিচালক) সঙ্গে কথা বলব। তা ছাড়া তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কিছুই বলা যাবে না।’

print