পুলিশের নাম ডুবাচ্ছে এটিএসআই আনোয়ার

1270

নিজস্ব প্রতিবেদক

শিমরাইল মোড়ে তার প্রতিদিনের আয় লাখ টাকা। অটোরিক্সা থেকে শুরু করে অবৈধ সকল যানবাহনের থেকে মাশোয়ার নগদ টাকা আদায় করছেন তিনি। তাকে ঘিরেই নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থা হারিয়ে যাচ্ছে। গাড়িতে রেকার লাগিয়ে সরকারি ফি’র নামে নিজের পকেটে পুরে নিচ্ছে ২ থেকে ৩ হাজার টাকা। তার বেপরোয়া কর্মকান্ডে তাকে শেল্টার দিচ্ছেন তসলিম হোসেন নামে এক পুলিশ কর্মকর্তা।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক চিটাগাংরোডে অবস্থিত ট্রাফিক পুলিশবক্সের এটিএসআই আনোয়ারকে বাটারী চালিত অটোরিক্সার মালিকপক্ষ মাসোয়ার দিয়েই মহাসড়কে চালাচ্ছে রিক্সা। এমনটিই অভিযোগ করেন চিটাগাংরোডের কয়েকজন রিক্সা চালক। মাসিক মাসোয়ারা না করলে রিক্সার বাটারী খুলে নিয়ে গিয়ে ২ থেকে ৩ হাজার টাকার রেকার বিল ভাউচার ধরিয়ে দিয়ে বাটারী আনতে হয় রিক্সা চালকদের। আর যাদের সাথে মাসিক মাসোয়ারা আছে তাদের ধরা হয় না। আরো জানা যায়, সিদ্ধিরগঞ্জ আটি, মিজমিজি, সিআই খোলা, পাইনাদী, সাইলোসহ বিভিন্ন এলাকার ৫ শতাধিক রিক্সা মালিকদের কাছ থেকে মাসিক প্রতি রিক্সা ৪ শত টাকা করে নেওয়া হয়। কিছুদিন আগেও কাঁচপুর ব্রিজের নিছে গিয়ে অনেক রিক্সা আটক রাখতে দেখা যায়। শুধু রিক্সা নয় ফিটনেস বিহীন গাড়ী থেকেও মাসোয়ারা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায় ট্রাফিক পুলিশ আনোয়ারের বিরুদ্ধে। যেখানে নারায়ণগঞ্জে পুলিশ সুপার হারুন-অর রশিদ দুর্নীতির বিরুদ্ধে অক্লান্ত ভাবে প্ররিশ্রম করে যাচ্ছে আর ট্রাফিক পুলিশ আনোয়ার এভাবে এসব অন্যায় মূলক কাজ করছেন কি ভাবে?।

ট্রাফিক পুলিশের এটিএসআই আনোয়ার বলেন, নিউজ হলে কি হয়। নিউজ তো হবেই। তাতে আমার কিছু আসে যায় না।

জানতে চাইলে নারায়ণগঞ্জ জেলা ট্রাফিক বিভাগের সহকারি পুলিশ সুপার সালে উদ্দিন আহমেদ জানান, এটিএসআই আনোয়ার কে আমি চিনি না। তবে তার বিষয়ে শক্ত পদক্ষেপ নেয়া হবে।

print