ফতুল্লায় সিআইডি পরির্দশকের বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ

99
বাংলাদেশ পুলিশ লগো

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার দুপুরে সিআইডির হেড কোয়ার্টার অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শকের কাছে এ অভিযোগ করেন রুমেলা আহসান নামে এক নারী। অভিযোগকারী রুমেলা আহসান বলেন, আমি পিতৃ মাতৃহীন ও বিধবা নারী। দুই শিশুসন্তান নিয়ে ফতুল্লার মাসদাইর এলাকায় বাবা-মায়ের রেখে যাওয়া বাড়িতে বসবাস করি। আমার বাবার রেখে যাওয়া বাড়িঘর আমার চাচাতো ভাইবোন ও বোনজামাই জোর করে দখল করার পাঁয়তারা করছে। এর মধ্যে ২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর আমার চাচাতো ভাইবোন ও বোনজামাই অসুস্থ অবস্থায় আমাকে অপহরণ করে কাশিপুর হিরু আলমের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে ধর্ষণ চেষ্টা চালিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে আমার কাছ থেকে ৮-১০টি সাদা নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে টিপসই ও স্বাক্ষর নেয়। এ ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা মামলায় নারায়ণগঞ্জ সিআইডির পরিদর্শক বাবুল হোসেন তদন্তের দায়িত্ব পান।

তিনি আরও বলেন, পরিদর্শক বাবুল হোসেন আমাকে সাক্ষী নিয়ে তার অফিসে আসার জন্য ডাকেন। আমি ৪ জন সাক্ষী নিয়ে তার অফিসে গিয়ে দেখি আমার মামলার বিবাদীরা বসে কথা বলছে। আমাকে দীর্ঘ সময় বাহিরে বসিয়ে রেখে সাক্ষীসহ তাড়িয়ে দেয়। পরে ডেকে এনে বাবুল হোসেন বলেন, প্রতিবেদন পক্ষে চাইলে দশ লাখ টাকা দিতে হবে। আর নয়তো বিবাদীদের সঙ্গে কথা হয়েছে তাদের পক্ষে প্রতিবেদন যাবে। বাবুল হোসেনের এমন দাবিতে ভয় পেয়ে তিনজন আইনজীবীর সামনে প্রকাশ্যে ৩ লাখ টাকা দিয়েছি অনেক কষ্ট করে। এখন আরও ৫ লাখ টাকা দাবি করেন। এ বিষয়ে সিআইডির ঊর্ধ্বতন অফিসারের বরাবর আবেদন করেছি। একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা পাল্টাতে আমি আমার আইনজীবীকে দিয়ে আদালতে আবেদন করিয়েছি।

রুমেলা আহসানের অভিযোগ অসত্য ও মিথ্যা দাবি করে নারায়ণগঞ্জ সিআইডির পরিদর্শক বাবুল হোসেন বলেন, বাদী জানেন তার মামলা মিথ্যা, তিনি কোনো সাক্ষী দেখাতে পারেননি। তাই তার পক্ষে প্রতিবেদন নিতে আমাকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। আমি তার কাছ থেকে ঘুষ নেইনি।

print