মহামারীর মধ্যে রূপগঞ্জ থানায় আটক বানিজ্য

5667
বাংলাদেশ পুলিশ লগো

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
করোনা ভাইরাসের থাবায় পুরো বিশ্ব থমকে গেছে। বাংলাদেশে প্রতিদিনই বহু মানুষ আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে। সাধারন মানুষের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে। ঘরবন্দি থাকার ফলে মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। ব্যবসা বানিজ্য আয় রোজগার নেই বললেই চলে। তবে এত কিছুর মধ্যেও অসাধু পুলিশ কর্মকর্তাদের বানিজ্য থেমে নেই। সম্পদশালী ব্যক্তিদের টার্গেট করেই চলছে পুলিশের আটক বানিজ্য।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক আনোয়ার ও আশরাফুলের বিরুদ্ধে ডাঙ্গা ইউনিয়ন যুবলীগের এক নেতাকে আটকের পর ৩ লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দাউদপুর ইউনিয়নের বীর হাটাবো এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটকের পর তাকে বিভিন্ন মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেওয়া হয়। পরে সাত্তার মিয়ার বাড়িতে নেয়া হয়। সেখানে সাত্তার মিয়াসহ কয়েকজনের উপস্থিতিতে টাকা আদায়ের পর তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

জানতে চাইলে উপ-পরিদর্শক আনোয়ার বলেন, এ বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। আশরাফের সাথে কথা বলতে পারেন। সেই সবকিছু জানে। আমি কোন টাকা পয়সা নেই নি।
এ বিষয়ে উপ-পরিদর্শক আশরাফুল বলেন, পুলিশ দশটা কাজ করলে একটা ভুল হতে পারে। বিষয়টি ভালো করে যাচাই বাছাই করে দেখেন। যে অভিযোগ করেছে তাকে আসতে বলেন আমি তার সাথে কথা বলছি।

জানতে চাইলে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, এমন হওয়ার কথা নয়। ৩০ হাজার টাকা হলে একটা কথা ছিলো। কেউ ছাড় পাওয়ার জন্য ৩ লাখ টাকা দেবে এটা হতেই পারে না। অভিযোগকারীকে থানায় আসতে বলেন। প্রমান পেলে ওই ২ কর্মকর্তাকে সাসপেন্ড করা হবে।

এ বিষয়ে সহকারি পুলিশ সুপার (গ সার্কেল) বলেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। অভিযোগকারীকে আমার কাছে আসতে বলেন। প্রমান পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

print