মৃদু শৈত্যপ্রবাহে কাপছে হিলিবাসী, হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে যানবাহন

51
মৃদু শৈত্যপ্রবাহে কাপছে হিলিবাসী, হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে যানবাহন

হিলি প্রতিনিধি
দিনাজপুরের হিলি দিয়ে বয়ে চলেছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। ঘন কুয়াশা ও কনকনে ঠান্ডা আবহাওয়ায় বিপন্ন হয়ে পড়েছে জনজীবন। মাঘের শুরুতেই এমন আবহাওয়ার সঙ্গে অবশ্য হিলিবাসীর প্রতিবছরেই পরিচয় ঘটে। সইতে হয় কঠিন শীত, কষ্ট করতে হয় সাধারন গরিব অসহায় মানুষদের। চেয়ে থাকে সমাজের প্রভাবশালী বিত্তবানদের দিকে। সরকারের পক্ষ থেকে এবং বেসরকারীসহ বিভিন্ন সংস্থা ইতিমধ্যে কম্বল বিতরণ করছে। অন্যদিকে শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে এসেছে। এ অবস্থায় গরম কাপড়ের অভাবে শীতে জুবু-থুবু হয়ে পড়েছে শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষ।

তবে ঘন কুয়াশা আর শীতের প্রকোপ বাড়ায় সন্ধ্যা নামতেই শহর হয়ে পড়ে স্থবির। পথচারীরা ঘরমুখী হয়ে পড়ে। সারা দিনের মেঘলা আকাশেই থাকছে সূর্য। দুপুরের পর একটু সূর্যের দেখা মেলে। এ কারণে বেশিরভাগ সময়ে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে দূরপাল্লার যানবাহন।

রবিবার (২৪ জানুয়ারি) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রচন্ড শীতে স্বচ্ছলরা বাড়ির বাইরে আসছে কম, তবে খেটে খাওয়া মানুষজনকে জীবিকার সন্ধানে বের হতে হচ্ছে। শরীরে একটু গরম কাপর মুড়িয়ে পায়ে হেটে কেউবা যানবাহনে চলছে কাজের সন্ধানে। শীতের কাঁপুনি নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে দিন মজুরদের।

হিলি বাজারে কাজে আসা মধ্যবয়সী খলিল মিয়া নামের এক শ্রমিক  জানান, কনকনে ঠান্ডার কারণে নিয়মিত কাজে যেতে পারছি না। বাড়িতে পরিবারে ৪জন সদস্য রয়েছে। অন্যদিকে আবার সাপ্তাহিক কিস্তি রয়েছে। সব মিলে খুব বিপদের মধ্যে আছি। সেই জন্য কষ্ট হলেও কাজের সন্ধানে বের হয়েছি।

হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর এ আলম জানান, গোটা উপজেলায় শীতার্ত মানুষের সহায়তার জন্য এ যাবত ৩ হাজার ৫০০ কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। চাহিদামত শীতবস্ত্র বরাদ্দের জন্য তালিকা জেলা প্রশাসনে পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ মিললে আরও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হবে।

print