শক্ত অবস্থানে দুদকের পিপি মোশারফ হোসেন কাজল

14473
ঢাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা-১৬ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে যারা মনোনয়ন চেয়েছেন তাদের সকলের মধ্যে দুদকের পিপি মোশারফ হোসেন কাজল শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়নমুলক কর্মকান্ড তুলে ধরে নিয়মিত গণসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন তিনি। খালেদা জিয়ার একটি বক্তব্যকে ঘিরে তিনি সম্প্রতি ব্যাপক আলোচনায় এসেছেন।

মোশারফ হোসেন কাজল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলার প্রসিকিউটর ছিলেন। জাতীয় চার নেতা হত্যা মামলারও প্রসিকিউটর হিসেবে কাজ করেছেন এ আইনজীবী। সর্বশেষ রায় হওয়া ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলারও প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন মোশারফ হোসেন কাজল। ঢাকার মিরপুর থানা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম হিসেবে থানা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
উন্নয়নের প্রচার ও যোগ্যতার বিচারে ঢাকা-১৬ আসন (পল্লবী-রূপনগর) এলাকার আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বেশিরভাগ নেতাকর্মীরাই দুদকের পিপি মোশারফ হোসেন কাজলকে ওই আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে চায়। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ওই আসনে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের বীর সৈনিক মোশারফ হোসেনকে এমপি হিসেবে দেখতে চায় পল্লবী ও রূপনগরের সাধারন মানুষ। তিনি এ আসন থেকে মনোনয়ন পেলে নৌকার বিজয় নিশ্চিত হবে বলে মনে করেন সাধারন মানুষ ও স্বাধীনতার স্বপক্ষের জনতা। তিনি সারাটি জীবন আওয়ামী লীগের জন্য কাজ গেছেন। আওয়ামী লীগের বর্তমান সংসদ সদস্য ইলিয়াস আলী মোল্লা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিভিন্নভাবে নির্যাতন চালিয়েছেন। যার ফলে নেতাকর্মীরা মোশারফ হোসেনকে তাদের পছন্দের প্রার্থী বলে মনে করেন।

ঢাকা-১৬ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন দুদকের কৌঁসুলি (পিপি) মোশাররফ হোসেন কাজল।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দুদকের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন কৌঁসুলি মোশাররফ হোসেন। এ দুটি মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা হয়েছে।
এ ছাড়া ২১ আগস্ট গ্রেনেড বোমা হামলা মামলা, পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহ মামলা, বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা এবং জেল হত্যা মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলির দায়িত্ব পালন করেছেন মোশাররফ হোসেন কাজল।
তিনি বলেন, আমি রাজনৈতিকভাবে আওয়ামী লীগ পরিবারের সদস্য। আমাকে মনোনয়ন দিলে আমি নেত্রীকে আসনটি উপহার দিব।
দলীয় মনোনয়ন পেলে সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তার পদ থেকে পদত্যাগ করবেন তিনি।

print