শামীম ওসমান জিতে গেলেন

1082

শাহাদাৎ হোসেন ভূঁইয়া

বিগত তিন মাসের টানা লড়াই, স্নায়ু যুদ্ধ, অভিযান, মহড়া, গ্রেপ্তার, মামলা, সমাবেশ, হুশিয়ারী, হুমকি, সাধারন ডায়েরী, মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের পর এবারের বাংলা নববর্ষের উৎসবে জিতে গেলেন সংসদ সদস্য শামীম ওসমান। নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের বাসভবনে তার উপস্থিতি, একসাথে খাওয়ার পর্ব, হাসি খুশি ভাব, থেমে যাওয়া অভিযান এমনই মন্তব্য সাধারন মানুষের মধ্যে।

নারায়ণগঞ্জের সাধারন মানুষের আলোচনা নিয়ে সূত্র বলছে, সাংসদ শামীম ওসমান ও পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদের চমকে স্বস্তি এনে দিয়েছে সাধারন মানুষের মনে। পাশাপাশি আপোষহীন যে কেউই নয় তাও আর একবার প্রমানিত হলো নারায়ণগঞ্জে। সাংসদ শামীম ওসমানের সাথে পুশি সুপারের বৈরী সম্পর্ক বিরাজ করছে এমন খবর যখন নারায়ণগঞ্জে উত্তাপ সৃষ্টি করছে ঠিক সেই মুহুর্তে ওসমান শিবিরের সমর্থকগন আতংকে কেউ নারায়ণগঞ্জ ছেড়েছে, কেউ দেশ ছেড়েছে আবার কেউ ঘর থেকে বেরোতেও ভয় পেয়েছে। রাজনৈতিক নেতাদের সাথে প্রশাসনের কোন কর্মকর্তার এমন ব্যাটিং বোলিং এবারই প্রথম দেখা গেলো। এর আগে কয়েক যুগ সকলেই এসেছেন, নিজেদের আখের গুছিয়েছেন, ফের চলে গেছেন অন্যত্র। কিন্তু এবার দেখা গেলো ভিন্ন চিত্র। হোক সেটা কয়েক মাসের জন্য তবে পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ নারায়ণগঞ্জের শিংহ পুরুষ শামীম ওসমানকে বেশ খানিকটা দৌড়তে বাধ্য করেছেন। তবে সামনে দিনগুলোতে কি হবে সেটা জনগন অবশ্যই দেখবে। তবে শেষ বলে কোন কথা নেই। বাঘে মহিষে এক ঘাটে জল খাবে এটা খুব কমই দেখতে পাওয়া যায়’।

তবে জয় পরাজয় যাই হোক না কেন সাংসদ শামীম ওসমান, পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ ও সাধারন জনগন সকলেরই নজর খুব তীক্ষ্ন। দেখার বিষয় পরবর্তী দিনগুলোতে কোথাকার পানি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়।

print