সরিষাবাড়ি যমুনা সার কারখানা পদোন্নতি কেলেংকারি

87
সরিষাবাড়ি যমুনা সার কারখানা পদোন্নতি কেলেংকারি

রোকনুজ্জামান সবুজ, জামালপুর 

জামালপুরের সরিষাবাড়ি যমুনা সার কারখানায় কর্মচারি পদোন্নতি কেলেংকারি নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। শুধু ওভার টাইমের আর্থিক সুবিধা হাতিয়ে নিতেই এই পদোন্নতির নথি গোপনের কেলেংকারি বিষয়টি প্রকাশ পায়।
জানা গেছে, অ্যামোনিয়া শাখার মাস্টার অপারেটর মফিজুর রহমানকে ২০১৮ সালের ৯ অক্টোবর পরিচালনা বোর্ডের ৩৯২তম সভায় অ্যামোনিয়া শাখা হতে ব্যাগিং শাখার উপ-সহকারী কারিগরী কর্মকর্তা পদে পদোন্নতি দেয়া হয়। চলতি বছরের ১৬সেপ্টেম্বর মফিজুর রহমানের পদোন্নতির ছাড়পত্র প্রদান করলে বিষয়টি নিয়ে হইচই পড়ে যায়। যার স্মারক নং- জেএলসিএল/প্রশাসন/শ্রঃ-২১৩/৪৩৬৫, তারিখ ১৫-০৯-২০২০খ্রি। আর্থিক সুবিধা নিতেই কারখানার ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) জলি বেগম এবং কর্মচারি মফিজুর রহমানের যোগসাজসে এমনটি হয়েছে বলে শ্রমিকদের অভিযোগ। কারখানার নিয়ম অনুযায়ী কোন শ্রমিক অতিরিক্ত কাজ করলে ওভার টাইমের আর্থিক সুবিধা ভোগ করবেন। যা কর্মকর্তার বেলায় প্রযোজ্য নয়। এজন্যই পদোন্নতির বিষয়টি টপ সিক্রেট রেখে ওভার টাইমের অর্থ হাতিয়ে নিয়ে কারখানাকে ঠকানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে যমুনা সার কারখানার ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) জলি বেগম বলেন, ‘মফিজুর রহমানের পদোন্নতি দুই বছর দেরিতে কার্যকর করানোর বিষয়টি একান্ত উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের বিষয়। যা নির্দেশ এসেছে, সেভাবেই কাজ করা হয়েছে।’ তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপূর্ণ অপপ্রচার করা হচ্ছে।’
কারখানার মহা-ব্যবস্থাপক (জিএম-প্রশাসন) মঈনুল হক বলেন, ‘মফিজুর রহমানের পদোন্নতির বিষয়টি জানা ছিলো না, তাই কার্যকর করতে দেরি হয়েছে।’ অভারটাইমের অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে জানান-উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।’ ব্যবস্থাপক জলি বেগমের দুর্নীতির ব্যাপারে বলেন, ‘উনি মহিলা অফিসার, এসব নিয়ে লেখালেখি না করাই ভালো।

print